26 June 2017
g+ tw Chapaibarta Faceook Page
Chapaibarta.com


বীরেন মুখার্জীর কবিতা

Published:  
বীরেন মুখার্জীর কবিতা
হেমন্ত বিষয়ক

হেমন্ত বিষয়ক 

-
সময় পেরিয়ে যায় কাঠপিপাসায়

নির্বোধের মতো অনুরণিত স্ক্রিপ্ট খুলে
বেরিয়ে আসে ঘোরানো সিঁড়ি, কাঠের ঘোড়া, 
মাটির পরী—যুগপৎ ছায়া ও নারী
কখনও সাদা-কালো নোনাকল্প;
ভাবি, কারো নিঁখুত নিশানাও হতে পারে 
যুক্তিহীন শূন্যের ধারণা, 
হত্যাফসলের দৃশ্যে উল্টে থাকা কার্তিকের মাঠ।

কিছু সময় পেরিয়ে যায় হেমন্তনন্দনে 

সন্দেহের ভুলে প্রজাপতি মন বাতাসের গল্প শোনে
দেহবারান্দায় বেড়ে ওঠা মানুষ তবু কুৎসাপ্রবণ  
বনশীর্ষে এঁকে যায় মাত্রাবৃত্তের ছলাকলা! 

২৩ অক্টোবর ২০১৫


দেবীপক্ষের ভুল

-
লুপ্তবৃক্ষের ছায়া ধরে দৌড়ে পালায় একাকি সূর্যাস্ত
তারপর রাত্রি নামে আশ্বিনের ঘাসের বাগানে  
যেখানে নিঃসঙ্গ শুয়ে থাকে মরা শিউলি;
নিশ্চুপ আঁধার আর চিবুক ছুঁয়ে যাওয়া 
ভেজা নৈঃশব্দ্য!

দেবীপক্ষে রাত্রি নেমে এলে এভাবে
হিমায়িত হাত কেঁপে ওঠে বার বার
ধূসর ভুল উঁকি দেয় বৃত্তাকারে ফের
রাত্রি ঘামে ফাঁকা ঘরে—একা
তবু দেখো, শুনছি কেবল রাতের কড়ানাড়া!

২১ অক্টোবর ২০১৫


সম্মোহনসূত্র

-
হুক খোলা ব্রা থেকে বাদামী ভ্রমর উড়ে গেলে
নিভৃতে সরে আসি চিহ্নের বাগানে 
নিগূঢ় ডুবে যেতে থাকি রোগশয্যায় 
অলৌকিক দরজার পাশে রেখে সেবিকামহল  
সেখানে হয়তো পূর্বজন্মের ধারণাসম্ভুত 
অভ্যর্থনাগুচ্ছ নিয়ে বসে আছে কেউ, 
অসুখের সম্ভ্রম তার হাতে তুলে দিতে চাইছি বলে, 
কতো কথা জনে জনে! 
অমিল পরম্পরায় ফিকে হয়ে আসে স্মৃতি
আর রুলটানা কাগজ ফুঁড়ে তোমার দিবানিদ্রা; 
সময় ঘসে আমি যখন সম্মোহনসূত্র খুঁজি।

১৭ অক্টোবর ২০১৫


ফাঁদ

-
বিরহ নুপূর খুলে উড়ে গেলে—সুদূরের দিন
জলের বন্দরে নাচে একা শঙ্খচিল, 
আমি জানি মর্ম তার। একদিন—
দেহখুলে উড়ে গেলে অনুসূয়া পাখি, এইভাবে
নিজস্ব বাগানে তার, পড়ে থাকে জল ও শ্রীমতি।

০১ অক্টোবর ২০১৫