28 April 2017
g+ tw Chapaibarta Faceook Page
Chapaibarta.com


প্রেমিকার রক্ত পান করেন প্রেমিক!

Published:  
প্রেমিকার রক্ত পান করেন প্রেমিক!

গল্পের বইয়ে কিংবা সিনেমায় অনেকে 'ভ্যাম্পায়ার'র কথা শুনেছেন বা দেখেছেন। কিন্তু বাস্তব জীবনে এর কোনো অস্তিত্ব নেই তা বিজ্ঞান স্পষ্টভাবেই নাকচ করেছে। আর 'ভ্যাম্পায়ার' যদি থেকেও থাকে এমন কারো কথা শুনেছেন কী যিনি স্বেচ্ছায় তার রক্ত 'ভ্যাম্পায়ার' কে খাওয়ানোর জন্য রোজ মাইলের পর মাইল পথ পাড়ি জমাত।

অবাক লাগলেও এটিই সত্যি যে, ২৮ বছর বয়সী ব্লাট ক্যাটচেন প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে সেই সব পুরুষ এবং মহিলাদের কাছে যেতেন, যাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রতিদিন রক্ত পান করা প্রয়োজন ছিল।

ব্লাটের বর্তমান প্রেমিক ৪৪ বছর বয়সী মাইকেল ভ্যাক্সিয়েল। তিনি স্বঘোষিত 'ভ্যাম্পায়ার'। তিনি নিয়মিত তার প্রেমিকার শরীর থেকে রেজার দিয়ে কেটে রক্ত পান করেন। গত কয়েক বছর ধরে ভ্যাম্পায়ারদের নিয়ম নীতি মেনে তারা একসঙ্গে থাকা শুরু করেছেন। বছর দুয়েক আগে ব্লাট-মাইকেলের দেখা হয় টেক্সাসের হস্টনের একটি ভ্যাম্পায়ার বল রুমে।

ব্লাট একজন কালো রাজহংসী। যে স্বেচ্ছায় নিজের রক্ত অন্যদের পান করার জন্য দেন। এ প্রসঙ্গে ব্লাট বলেন, 'ছোটবেলা থেকে আমার ভ্যাম্পায়ার সংস্কৃতির উপর বেশ উৎসাহ ছিল। আমি আমার বোনের বইয়ের সংগ্রহশালাতে ভ্যাম্পায়ার সংক্রান্ত একটি বই খুঁজে পেয়েছিলাম। যা আমাকে আরো উৎসাহী করে তোলে'।

ব্লাট বলেন, 'যে ব্যক্তি আপনার রক্ত পান করছেন তার সাথে আপনার একটা অন্তর আত্মার যোগাযোগ থাকতে হবে, তা না হলে আপনি ব্যাপারটি উপভোগ করতে পারবেন না। এটি একটি চরম তৃপ্তির ব্যাপার। আমি প্রত্যেকবার রেজার দিয়ে নিজের শরীর কাটার পূর্বে ওই স্থান ভালো করে অ্যালকোহল দিয়ে ধুয়ে নিই। মাইকেল রক্ত পান করার পূর্বে মাউথ ওয়াস ব্যবহার করে।  ফলে এ থেকে কোনো প্রকার রক্ত সংক্রামক রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।'

প্রায় তের বছর ধরে অন্যদেরকে রক্ত পান করিয়ে আসছেন ব্লাট। নিয়মিত শরীরের পরীক্ষা করিয়েছেন। এতে তার কোনো ধরণের শারীরিক সমস্যা হয়নি। বরং এ থেকে এক ধরণের আত্মিক শান্তি পান বলেও জানান ব্লাট।

মাইকেল যখন ১৩ বছর বয়সী তখন থেকে সে রক্ত পান করে। তবে প্রথম অবস্থায় সে বছরে কয়েকবার রক্ত পান করত। এখন সে নিয়মিত রক্ত পান করে। এ প্রসঙ্গে মাইকেল বলেন, 'আমি প্রথমবার রক্ত পান করি একটি দুর্ঘটনার মাধ্যমে। দুর্ঘটনায় আমি রাস্তায় পড়ে ছিলাম। এ সময় রক্ত গড়িয়ে আমার ঠোঁট দিয়ে মুখে প্রবেশ করে। তখন আমি শিহরিত হয়েছিলাম। কিন্তু একটু পরই বুঝলাম এর স্বাদ অনন্য। প্রত্যেকটা মানুষের যেমন একটি বিশেষ পছন্দের ডিশ থাকে, ভ্যাম্পায়ারের বেলাতেও তাই। এর স্বাদ সত্যি অনেক ভালো।'