১৪ আগস্টের আগে শপথ নিবেন ইমরান খান

বার্তা ডেস্কঃ পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস ১৪ ই আগস্ট। তা আগেই প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন ইমরান খান। এমনই ঘোষণা করল তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে স্বাধীনতা দিবসের অনেক আগেই তারা নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করবে। এবং তারপরেই দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন ইমরান খান।

সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছে পিটিআই। বিভিন্ন ছোট ছোট দল ও নির্দল প্রার্থীদের কাছে যেতে শুরু করেছেন দলের প্রতিনিধিরা। কারণ জাতীয় পরিষদে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে জয় পেলেও, সরকার গঠন করতে জোট করতে হবে তাদের। পিটিআই চাইছে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান যেন স্বাধীনতা দিবসের আগেই হয়ে যায়।

২৫ শে জুলাই জাতীয় নির্বাচনে এই দল সবচেয়ে বড় দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তবে তা সত্ত্বেও এককভাবে সরকার গঠনের মতো প্রয়োজনীয় আসন পায়নি তারা। এককভাবে সরকার গঠন করতে প্রয়োজন কমপক্ষে ১৭২টি আসন। কিন্তু ইমরান খানের দল পেয়েছে ১১৫টি আসন। ফলে বাকি আসনগুলোর জন্য তাকে ছোট ছোট দলগুলোর কাছে সমর্থন চাইতে হচ্ছে তাদের।

পিটিআই নেতা নাইনুল হক মিডিয়াকে শনিবার বলেন, সরকার গঠনের জন্য তাদের যে কয়েকটি আসন বাকি আছে তা পূরণ করতে অন্য দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা প্রায় শেষ। প্রতিটি আলোচনাই সদর্থক হয়েছে। ফলে প্রধানমন্ত্রী পদে ইমরান খানের শপথ গ্রহণ এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

অন্যদিকে, ইমরান খানকে রুখতে পরিকল্পনা করছে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ ও পাকিস্তান পিপলস পার্টি। তারা একত্রে একটি বৈঠক করতে পারে। এই দুই দল জোট করে নিলে, ইমরান খানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছা স্বপ্ন থেকে যাবে।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলি জানাচ্ছে পিপিপি নেতা সইদ খুরশিদ শাহ রবিবারই ইসলামাবাদে পিএমএল-নওয়াজ নেতা শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। দুই দলের জোট নিয়ে কথা হতে পারে তাঁদের মধ্যে। পিএমএল-এন পেয়েছে ৬৪টি আসন ও পিপিপি পেয়েছে ৪৩টি আসন। তবে সব মিলিয়েও পিটিআইয়ের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা ছাড়াতে পারবে না এই দুই দল।

এর মধ্যে একাধিক আসন থেকে দাঁড়ানো একই ব্যক্তিকে একটি আসন রেখে বাকি গুলি ছেড়ে দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। ইমরান খান নিজেই পাঁচটি আসনে জিতেছেন। ফলে নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে একটি রেখে বাকি চারটি আসন ছেড়ে দিতে হবে।কালেরকন্ঠ।।

এই বিভাগের সর্বশেষ খবর