রাজশাহীর এক নারী ৯ বংসরে দুই স্বামীকে বিয়ে করেছেন ৫ বার


যখন যাকে ভাল লাগে, তখন তার কাছে চলে যায়। এ ভাবে বিয়ে ভাঙাগড়ার খেলায় ৯ বংসরে দুই স্বামীকে ৫ বার বিয়ে করেছেন জনৈকা নারী। তার পরেও সংসার টেকেনি। অবশেষে সন্ধ্যায় থানা চত্বরে (দেন মহরের পাওনা টাকা আদায়ের জন্য) বসেছে শালিস। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, রাজশাহীর বাঘা উপজেলার মীরগঞ্জ ভানুকর গ্রামের ওই নারী ৯ বছর আগে প্রথম বিয়ে করে পাশের চারঘাট উপজেলার আজিজুল হককে। কিন্তু সেই সংসার বেশি দিন টেকেনি। এরপর তাকে তালাক দিয়ে বিয়ে করেন একই উপজেলার দক্ষিন মিলিক বাঘা গ্রামের সাজদার রহমানকে। ওই বিয়ের দেন মোহর ধার্য ছিল ৪০ হাজার টাকা।

সেই সংসারে তার সন্তান হয়। এরমাঝে আগের স্বামীর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ হয়। আগের স্বামী আজিজুল হক ঢাকায় থাকতেন। প্রেমের টানে আগের স্বামীর কাছে চলে যায় ওই নারী। সেখানে আবার বিয়ে করে সংসার পাতেন। কিন্তু সেটিও স্থায়ী হয় নি।

আবার ফিরে আসে সন্তান থাকা সাজদার রহমানের সংসারে। সাজদার রহমান একজন সহজ সরল মানুষ। তাই সন্তানের কথা চিন্তা করে তিনি মুসলিম শরিয়ত আইন মেনে দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন। এই বিয়ের দেনমোহর ধার্য হয় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

এ ঘটনার কিছুদিন পর নির্যাতন ও যৌতুকের অভিযোগ এনে সাজদার রহমানকে তালাক দেন ওই নারী। সেই সঙ্গে আদালতে মামলাও করে রঙ্গিলা। অবশেষে দুই মাস হাজত বাস করে বাড়ি ফিরে সাজদার।

এদিকে সাজদার বাড়ি ফিরে আসার পর মিমাংসার নামে আবারও তার বাবার বাড়িতে ডেকে পাঠায় সাজদার ও তার আত্মীয়দের। সেখানে ফের সংসার করার দাবি জানানো হয়। আর তা না হলে দেনমোহরের আড়াই লাখ টাকা দেয়ার প্রস্তাব উঠে।

নিরুপয় হয়ে তৃতীয়বার বিয়ে করে সাজদার। তবে এই বিয়ের দেনমোহর ধার্য হয় মাত্র ২০ হাজার টাকা। যার সত্যতা স্বীকার করেন সাজদার রহমান ও তার প্রতিবেশী টুটুল। অপর দিকে নারী ও তার দুলাভাই শহিদুল ইসলাম দাবি করেছেন, তৃতীয় বিয়েতেও আড়াই লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য রয়েছে। কিন্তু সেই বিয়ের কাবিন নামা এখনও তোলা হয়নি।

শালিসে উপস্থিত বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) শ্রী ধীরেন্দনাথ জানান, ওই নারী সাজদার রহমানের সাথে আর ঘর-সংসার করবে না। এ কারনে মুলত: শালিসে বসা। তবে তৃতীয় বিয়ের কাবিন দেখাতে না পারার কারনে পরবর্তী ৯ ডিসেম্বর শালিসের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

শালিসে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বর্তমান পৌর কাউন্সিলর হামিদুল ইসলাম, কাউন্সিলর মতিউর রহমান, যুবলীগ নেতা শাহিনুর রহমান পিন্টু ও আওয়ামী লীগ নেতা বাদশা প্রমুখ।


এই বিভাগের আরও খবর

  • ঢাবির প্রশ্ন প্রেস থেকে ফাঁস

  • স্ত্রীকে ওড়না পেচিয়ে হত্যার পর লাশ নিয়ে শশুর বাড়িতে হাজির স্বামী!

  • স্বামীকে খুন, সার্জারি করে প্রেমিককে স্বামীর চেহারা দিলেন স্ত্রী!

  • কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক, পরিদর্শক প্রত্যাহার

  • নিজ ফ্ল্যাটে যুবক খুন , এক তরুণী আটক

  • শিশুদের পর্নোগ্রাফি দেখিয়ে শ্রীঘরে ডাক্তার

  • মায়ের সহযোগিতায় মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ করত বাবা!

  • শহরের গেস্ট হাউসে অভিযান, ৭ পতিতা সহ খদ্দের আটক

  •