ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে মুদি দোকানেও।


রাজশাহী মহানগরসহ বিভিন্ন উপজেলার পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানগুলোতে এখন অবাধে বিক্রি হচ্ছে ওষুধ। মুদি দোকানসহ অন্যান্য দোকানগুলোতেও জরুরী ওষুধ বিক্রি হলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এমনকি বিষয়টি প্রশাসনের নজরে নেই বললেই চলে। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ও মেয়াদোত্তীর্ণ এসব ওষুধ খেয়ে মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন মানুষজন। দীর্ঘদিন ধরে পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতে ওষুধ বিক্রি হয়ে আসলেও কখণো প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বা বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন ভূক্ষেপ নেই। স্বাস্থের জন্য জরুরী উপাদান হলেও এটি বিক্রি হচ্ছে যত্রতত্র।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী মহানগর ও জেলার নয়টি উপজেলার প্রত্যেক এলাকার গ্রামের দোকানগুলোতে দরকারি ওষুধ বিক্রি হয়। যেসব ওষুধ বিক্রি হয় তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, নাপা, নাপা এক্সটা, ওমিপ্রাজল-২০, এ্যানটাসিট, টোমেপ, সেকলো, নিউ ট্যাক, পিরিটন, প্যারাসিট্যামল, স্যালাইন, তুসকাসহ আরো কয়েক ধরণের ওষুধ। শুধু তাই নয় আরো অভিযোগ রয়েছে, এসব দোকানে যৌণ উত্তেজক বিভিন্ন ওষুধও বিক্রি করা হয়। উল্লেখিত ওষুধগুলোর রোগের উপসর্গ হিসেবে ধরা হয়, জ্বর, সর্দি, কার্শি, গ্যাস, মাথা ব্যাথা, ডায়রিয়াসহ অন্যান্য রোগ। আর মানুষ এর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার কথা চিন্তা না করে হাতের নাগালে পেয়ে মেয়াদ না দেখেই ওষুধ খাচ্ছেন।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃক্ষ বলছেন, মুদি সহ অন্য দোকানে ওষুধ বিক্রি সম্পূর্ণভাবে অবৈধ। এটা অন্যায় ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। মুদি দোকানে ওষুধ বিক্রি করার কোন অনুমতি নেই। যারা করছে তারা অন্যায় করছে। নির্দিষ্ঠ কোন অভিযোগ না থাকায় এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয় না।

দোকানিরা বলছেন, কমন কিছু ওষুধ মানুষের উপকারের জন্য কিনে এনে রাখা হয়। যাতে প্রাথমিকভাবে রোগী ওষুধটি হাতের নাগালে পাই। নিয়ম না থাকার পরেও এমন ওষুধ বিক্রির ব্যাপারে তারা বলেন, নিয়ম আছে কিনা জানি না তবে দীর্ঘদিন ধরেই এমন ভাবে ওষুধ বিক্রি চলে আসছে। বিক্রি করতে না দিলে তারা বিক্রি করবেন না। মানুষের দেখাদেখি তারা দোকানে ওষুধ রাখেন।মুদি বা অন্য কোন সামগ্রীর দোকানে ওষুধ রাখা কতটা ক্ষতিকারক সেই ব্যাপারে, ওষুধ বিক্রির জন্য দোকানির নির্ধারিত কিছু যোগ্যতা থাকা লাগবে। তাছাড়া কোন ব্যক্তি ইচ্ছামত ওষুধ রাখতে পারবেন না। ওষুধ মানুষের জন্য অত্যন্ত জরুরী একটি জিনিস। এটা নিয়ে খামখেয়ালি করার কোন সুযোগ নেই। এ বিষয়ে রাজশাহীর সিভিল সার্জন সঞ্জিত কুমার সাহা বলেন, মুদি দোকান বা অন্যান্য দোকানে ওষুধ বিক্রি করা যাবে না। এটা অনিয়ম। তবে বিষয়টি সিভিল সার্জন দেখভাল করেনা।

ওষুধ প্রশাসনের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মীর্জা আনোয়ারুল বাসেদ বলেন, চিকিৎসকের প্রেসক্রিপসন ছাড়া কিছু ওষুধ বিক্রি হয়। অনেক স্থানে ফার্মেসী না থাকার কারণে দোকানে জরুরী কিছু ওষুধ রাখে। এসব ওষুধ পাড়া-মহল্লার দোকানে রেখে বিক্রি করার নিয়ম আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দোকানে ওষুধ বিক্রির কোন নিয়ম নেই। তবে নির্দিষ্ট কোন দোকানে ওষুধ বিক্রি হয় তা জানতে পারলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এই বিভাগের আরো খবর

  • রাজশাহীতে এনজিও কর্মকর্তার সাথে অবৈধ সম্পর্ক, স্ত্রীকে তাড়িয়ে দিলো স্বামী

  • রাজশাহীতে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা

  • রাজশাহীতে সেতু আছে রাস্তা নেই

  • রাজশাহীতে ড্রাইভিং শিখতে গিয়ে ৪৫ লাখ টাকার নতুন গাড়ি চুরমার!

  • রাবিতে যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল কার্যকরের দাবি

  • রাবির অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে হাতাহাতি, আটক ২

  • গোদাগাড়ীতে ২৩৯তম স্কাউট ইউনিট লিডার ওরিয়েন্টেশন কোর্স অনুষ্ঠিত

  • রাজশাহীতে সাঁকোয়াটেক্স গামের্ন্টসে পথচলা শুরু

  •