,


সুস্থ থাকতে প্রতিদিন গাজর খান

সুস্বাদু ও পুষ্টিকর সবজি গাজর। এতে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল যেমন- থায়ামিন, নিয়াসিন, ভিটামিন বি৬, ফলেইট এবং ম্যাংগানিজ রয়েছে। যা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী।

এছাড়াও গাজরে আছে ফাইবার, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে ও পটাশিয়াম। অর্থাৎ আমাদের দেহকে সুস্থ রাখতে যেসব ভিটামিন ও মিনারেলস দরকার তার সবই রয়েছে এই গাজরে।

এছাড়া মারাত্মক শারীরিক সমস্যা সমাধানের দারুণ ক্ষমতা রয়েছে গাজরের।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে

গবেষণায় দেখা যায় গাজরের মধ্যে রয়েছে ফুসফুস, স্তন ও কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করার ক্ষমতা। ফ্যালক্যারিওনল ও ফ্যালক্যারিনডিওল দুটি ক্যান্সার প্রতিরোধী যৌগ যা দেহে ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধিতে বাধা প্রদান করে। গাজরে এই দুটি যৌগ প্রাকৃতিকভাবেই রয়েছে। প্রতিদিন গাজর খাওয়ার অভ্যাস দেহকে ভেতর থেকে ক্যান্সার প্রতিরোধী করে গড়ে তোলে।

চোখের সুরক্ষা করে

গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ। ভিটামিন এ চোখের সুরক্ষায় কাজ করে। এছাড়াও গাজরের বিটা ক্যারোটিন লিভারে ভিটামিন এ’তে পরিণত হয় যা সরাসরি রেটিনায় পৌঁছায়।

লিভার সুস্থ রাখে

গাজর একটি টক্সিন মুক্তকারি খাবার হিসেবে পরিচিত। এইধরনের খাদ্য লিভার সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। গাজর লিভারকে পরিষ্কার করে। লিভারজনিত সকল ধরনের রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। গাজর লিভারে জমে থাকা মেদ দূর করে লিভারজনিত নানা সমস্যা দূরে রাখে।

কার্ডিওভ্যস্কুলার রোগ প্রতিরোধ করে

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা কোলেস্টেরলের সমস্যায় ভোগেন তারা প্রতিদিন ১টি করে গাজর খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। এতে কোলেস্টেরলজনিত বেশিরভাগ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। গাজরে বিদ্যমান ফাইবার দেহের খারাপ কোলেস্টেরল শুষে নেয়। এতে দেহে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক থাকে এবং হৃদপিণ্ডকে কোলেস্টেরলজনিত প্রায় সব ধরনের রোগ থেকে বাঁচায়।

বয়সের ছাপ দূর করে

গাজরে বিদ্যমান বিটা ক্যারোটিন ত্বকের ক্ষতিপূরণ করে এবং ত্বকের টিস্যু নষ্ট হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। বিটা ক্যারোটিন খুব ভালো একটি অ্যান্টিএইজিং উপাদান যা ত্বকের বয়সজনিত দাগ ও রিঙ্কেল দূর করে।

দাঁতের সুরক্ষা করে

চোখের পাশাপাশি দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষায় গাজরের গুরুত্ব অনেক বেশি। গাজর খেলে দাঁত পরিষ্কার হয়। দাঁতে জমে থাকা প্লাক দূর হয়। প্রতিদিন একটি করে গাজর খাওয়ার অভ্যাস দাঁতের মাড়ি ও দাঁতের সুরক্ষায় কাজ করে।