Dhaka, Sunday, August 20, 2017

Navigation Bottom Left
Navigation Bottom Right
Post page // Before Title
Post page // Before Title

রাজশাহীতে নার্সের সাথে অশ্লিল আচরণ, বাবা-সহ ছাত্রলীগ নেতা আটক

রাজশাহীঃ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের এক সিনিয়র স্টাফ নার্সকে মারপিট ও অশ্লিল অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতাসহ তার বাবাকে আটকে করেছে পুলিশ। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ওই ছাত্রলীগ নেতাসহ তার বাবাকে আটক করা হয়। সহকর্মীকে মারপিট ও তার সঙ্গে অশ্লিল আচরণের কারণে হাসপাতালের অন্যান্য সিনিয়র স্টাফ নার্সদের মধ্যেচরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাপ-ছেলেকে আটকের পরে হাসপাতালের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকের ওই ঘটনার পরপরই সিনিয়র স্টাফ নার্সরা হাসপাতালে কর্মবিরতি শুরু করেন। পরে পুলিশ গিয়ে ছাত্রলীগ নেতা হিমেল এবং তার বাবা জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

আটককৃত ওই ছাত্রলীগ নেতার নাম হিমেল রাজশাহীর মতিহার থানার হরিয়ান ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক।

হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোতাহার হোসেন সিল্কসিটি নিউজকে জানান, তার সঙ্গে নার্সরা সকাল ১১ টার দিকে দেখা করে সিনিয়র স্টাফ নার্স ফেরদৌসি খাতুনকে মারপিট এবং তার সঙ্গে অশ্লিল আচরণের বিচার দাবি করেন। এসময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা সিনিয়র স্টাফ নার্সদের কথা শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। পরে দুপুর ১২টার দিক থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

হাসপাতাল সূত্র সিল্কসিটি নিউজকে জানায়, শনিবার সকাল ১০টার দিকে ছেলে ছাত্রলীগ নেতা হিমেলকে সঙ্গে নিয়ে বাবা জাহাঙ্গীর আলম হাসপাতালের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন তার মেয়ে ফারজানাকে দেখতে যান। এসময় হিমেল দায়িত্বরত সিনিয়র স্টাফ নার্সদের কাছে বোনের চিকিৎসা সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিতে যান।

এর এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির জের ধরে হিমেল ফেরদৌসি খাতুন নামের এক সিনিয়র স্টাফ নার্সের ওপর চড়াও হন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই নার্স হিমেলের গালে চড় দেন। এসময় হিমেল আরো উত্তেজিত হয়ে ফেরদৌসি খাতুনকে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। একপর্যায়ে হিমেলের বাবা ফেরদৌসি খাতুনকে চড়-থাপ্পড় মারতে শুরু করেন। এসময় তিনি ওই নার্সের সঙ্গে চরম অশ্লিল আচরণও করেন।

এই ঘটনার পরে হাসপাতালের সব নার্সরা কাজ ফেলে ধর্মঘট শুরু করেন। পরে হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে পুলিশ গিয়ে ছাত্রলীগ নেতা হিমেল এবং তার বাবা জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনার পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

নগরীর রাজপাড়া থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, ‘নার্সকে মারপিট এবং তার সঙ্গে অশ্লিল আচরণের কারণে বাপ-ছেলেকে আটক করা হয়েছে। এখন হাসপাতালের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Post Page // After Content
Post Page // After Content